...এত সুন্দর আকাশ, বাতাস,
নক্ষত্র, পৃথিবী, আর মানুষ
যিনি বানিয়ে রেখেছেন,
দেখলেই শুধু তুমি, বাহবা দিলে না,
তোমার কাজের প্রাপ্য মর্যাদা দেয়া না হলে
কি করতে তুমি ভেবে দেখেছ কি???
আকাশপ্রদীপ ..আলোর শিখায় সব আলোকিত করে, মানুষেরে করে যাব ধন্য করে, নব যুগে নব দিগন্তে উদয়ন্ত রবি, আমি হয়ে আসি আজিকার কবি…..
Followers
Saturday, February 22, 2014
মৃত্যু এবং একটি কবিতা
মৃত্যু এবং একটি কবিতা
মৃত্যুকে ভেবে এত হাহাকার লাগে কেন !
মৃত্যুর মত একটা রহস্যময় ব্যাপারে, এত ভয় কেন !
মানুষ রহস্য পছন্দ করে,
তাই আসেপাশে রহস্যময় ভুবন ছড়ানো,
কেউ রহস্য নিয়ে খেলছে,
নতুন পৃথিবী মেলে দিচ্ছে,
জীবনে তাই বেঁচে থাকার অগাদ ইচ্ছে হয় ,
রহস্যময় মৃত্যুকে তবে এত কেন ভয়?
পৃথিবীতে যেসব রহস্য এখন সমাধান হয়নি
মৃত্যু তার একটি,
মৃত্যুর ভুবন থেকে কেউ ফিরে আসেনি,
কেউ ফিরে এসে বলেনি ,
তার স্বাদ এমন !
সেই অদেখা ভুবন যেমন !
মানুষ অদেখাকে পূজো করে,
নতুন শহরে আনন্দ করে,
কিন্তু মৃত্যুকে ভয় করে থাকে ,
মৃত্যুর স্মৃতিকে কিছু, হ্যাঁ কিছু একটা ভুলিয়ে রাখে।
হ্যাঁ! জীবনও এক রহস্যের আধার,
ধীরে ধীরে রহস্যময় অধ্যায় খুলতে থাকে,
পরতে পরতে রহস্যে ঘেরা,
আগামীকে জানে না বলেই
জীবন রহস্যময় এত,
রহস্যময় জীবনকে দু হাত জড়িয়ে মানুষ
গড়েছে তিলোত্তমা শহর,
গড়েছে স্থায়ী (!) ঘর,
পৃথিবীর এই সব মোহ ভুলিয়ে রেখেছে মৃত্যুকে,
মৃত্যুর মত রহস্যময় কিছু তাই দূরে থাকে।
আমার কাছে মনে হয়,
মানুষ মৃত্যুর জন্য কখনো তৈরি নয়,
সে ধরে নিয়েছে
মৃত্যু আসবে বহুদিনে পরে,
তত টুকু সময়
পৃথিবীতে আয়েশে কাটানো যায়,
আয়েশে আমেশে কেটে যায় দিন,
জীবনের কাছে থেকে যায় পাহাড়সম ঋণ,
ভুলে যায় মৃত্যুর দুয়ার,
মৃত্যু এসে যায় কোনদিন তারপর,
কারো কোন নির্দিষ্ট সময় নেই,
কেউ পরে আসলেও সে আগে যায়,
মৃত্যুর মত রহস্যময় ভুবনকে স্বাগত জানাতে,
প্রয়োজন প্রতি মুহূর্তে তৈরি হতে ,
ওপারে দীর্ঘতম যাত্রা যেন সবার আনন্দিত হয়
এই কবিতাখানি সেই আশায়, সেই প্রত্যাশায়...
মৃত্যুকে ভেবে এত হাহাকার লাগে কেন !
মৃত্যুর মত একটা রহস্যময় ব্যাপারে, এত ভয় কেন !
মানুষ রহস্য পছন্দ করে,
তাই আসেপাশে রহস্যময় ভুবন ছড়ানো,
কেউ রহস্য নিয়ে খেলছে,
নতুন পৃথিবী মেলে দিচ্ছে,
জীবনে তাই বেঁচে থাকার অগাদ ইচ্ছে হয় ,
রহস্যময় মৃত্যুকে তবে এত কেন ভয়?
পৃথিবীতে যেসব রহস্য এখন সমাধান হয়নি
মৃত্যু তার একটি,
মৃত্যুর ভুবন থেকে কেউ ফিরে আসেনি,
কেউ ফিরে এসে বলেনি ,
তার স্বাদ এমন !
সেই অদেখা ভুবন যেমন !
মানুষ অদেখাকে পূজো করে,
নতুন শহরে আনন্দ করে,
কিন্তু মৃত্যুকে ভয় করে থাকে ,
মৃত্যুর স্মৃতিকে কিছু, হ্যাঁ কিছু একটা ভুলিয়ে রাখে।
হ্যাঁ! জীবনও এক রহস্যের আধার,
ধীরে ধীরে রহস্যময় অধ্যায় খুলতে থাকে,
পরতে পরতে রহস্যে ঘেরা,
আগামীকে জানে না বলেই
জীবন রহস্যময় এত,
রহস্যময় জীবনকে দু হাত জড়িয়ে মানুষ
গড়েছে তিলোত্তমা শহর,
গড়েছে স্থায়ী (!) ঘর,
পৃথিবীর এই সব মোহ ভুলিয়ে রেখেছে মৃত্যুকে,
মৃত্যুর মত রহস্যময় কিছু তাই দূরে থাকে।
আমার কাছে মনে হয়,
মানুষ মৃত্যুর জন্য কখনো তৈরি নয়,
সে ধরে নিয়েছে
মৃত্যু আসবে বহুদিনে পরে,
তত টুকু সময়
পৃথিবীতে আয়েশে কাটানো যায়,
আয়েশে আমেশে কেটে যায় দিন,
জীবনের কাছে থেকে যায় পাহাড়সম ঋণ,
ভুলে যায় মৃত্যুর দুয়ার,
মৃত্যু এসে যায় কোনদিন তারপর,
কারো কোন নির্দিষ্ট সময় নেই,
কেউ পরে আসলেও সে আগে যায়,
মৃত্যুর মত রহস্যময় ভুবনকে স্বাগত জানাতে,
প্রয়োজন প্রতি মুহূর্তে তৈরি হতে ,
ওপারে দীর্ঘতম যাত্রা যেন সবার আনন্দিত হয়
এই কবিতাখানি সেই আশায়, সেই প্রত্যাশায়...
Friday, February 21, 2014
অন্য পৃথিবী
এখানেও
আছে বিস্ময়,
পৃথিবীর
মত হয়ত নয়,
তবুও অন্য কোনো বিস্ময়ে,
এই পৃথিবীর আকাশ গিয়েছে ছেয়ে,
হয়ত জলের নদী নেই,
কিন্তু
বায়বীয় নদীটাই
এঁকে বেঁকে গেছে রঙ্গন
পৃথিবীতে,
সূর্যটা
হয়ত কিছুটা দুরত্বে
আলো দিয়ে যায়,
লাল, নীল পৃথিবী আলোকিত
হয়
সেখানেও
আছে কিছু বিস্ময়!
সেখানে
হয়ত মানব মানবী নেই,
হয়ত অন্য কোনো প্রাণ তাই
বিচরণ করে,
বেঁচে থাকে
সেই ভুবনের তরে,
ভালোবেসে ভালবাসা
অন্য প্রানের
কাছে আসা,
চেয়ে থেকে নক্ষত্রের ভিরে,
খুঁজে পেতে অন্য
পৃথিবীরে,
হয়ত চাঁদ আছে !
চাঁদ কি আছে ?
জোনাকির
মত নয়তো,
অন্য কোনো পোঁকা হয়ত,
জ্যোত্স্নার
বনে বনে,
আলো জ্বালায়, সবাইকে ডেকে আনে
,
জ্যোত্স্নার
উত্সবে মাতে,
কখনবা
জীবনের ঘাত প্রতিঘাতে,
আকাশের
পানে তাকায়,
আর ভাবে, ‘আর কি
কেউ নাই!
কত দুরে কোন নক্ষত্রকে
ঘিরে,
ভেসে যায় আলোর সাগরে,
ভেবে ভেবে হৃদয় ক্লান্ত
হয়,
সেখানেও
আছে বিস্ময়কর বিস্ময়...
ফেব্রুয়ারী ২১ ২০১৪
লংমন্ট, কলোরাড
Thursday, February 20, 2014
অমর একুশে
অমর একুশে
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর....
মনটা হুহু করে উঠে গানটা শুনলে।
আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারী। মহান এই জন্যে যে, নিজের ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য অসীম ভালবাসায়, নিজের প্রাণকে উত্সর্গ করেছিলেন ভাষা শহীদেরা। একবার চুপচাপ ভেবে দেখুন, নিজের ভাষার জন্য ভালবাসা কত প্রকান্ড হলে এটা সম্ভব।
আজ বাংলাদেশে ছুটির দিন। ছুটির দিন মানে ঘুমের দিন। দেশের সবাইকে এত খাটতে হয় যে, ছুটির দিনে হাফ ছেড়ে বাঁচে। কাউকে বলছিনা, ঘুম বাদ দিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে আসুন। যারা যাবে তারা এমনিতেই যাবে, সাদা পাঞ্জাবি পড়ে, হাতে কিছু ফুল, ঠোঁটে গান,
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি।....
আর যারা যাবে না তারা, তারা হয়তো কোনো কারণে যেতে পারবে না। আর ছুটির দিন আল্যিসির সময়, আল্যিস করা স্বাভাবিক। ছুটির দিনেও কিন্তু কিছু কাজ করা যায়, যেমন দেশকে নিয়ে একটু ভাবা যায়, দেশকে আর একটু ভালোবাসা যায়। রাজনৈতিক অস্থিরতার কথা ভুলে গিয়ে, জীবনে কি পেলাম না পেলাম তা বাদ দিয়ে, পরিবারে সাথে, বন্ধদের সাথে দেশকে নিয়ে কথা বলা যায়, যাদের বাচ্চা কাচ্চা আছে, তাদের সাথে সাথে থেকে একুশে ফেব্রুয়ারী নিয়ে গল্প করা যায়, আজ বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস সেটা অনেক কে জানানো যায় (দুক্ষজনক হলেও সত্যি অনেকে জানেন না ! ) .
আমরা যারা বিদেশে থাকি, অনেকেই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন। দিনটা সপ্তাহের মাঝখানে পড়ায় অনেকে যেতে পারবেন না। কিন্তু কাজের জায়গায় আমরা অনেক কে জানাতে পারি। বিদেশের অনেক অনেক লোকই জানে যা, যে একুশে ফেব্রুয়ারী বিশ্ব মাতৃভাষা(সবারইত মাতৃভাষা আছে) দিবস এবং কেন এই দিবস উদযাপন হয়। আমি আজ পর্যন্ত যাদের যাদের বলেছি, তারা সবাই এই দিনটির কথা শুনে খুব আনন্দিত হয়েছে এবং আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ আর বাংলা ভাষার পাশাপাশি তার নিজের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়েছে।
আমি জানি অনেকেই মহানভাবে, মহান একুশে ফেব্রুয়ারীর দিনটি কাটাবেন। অমর একুশে এভাবেই আমাদের প্রাণ থেকে প্রাণে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌছে যাবে। অমর একুশে শহীদের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা আর সবার প্রতি রইলো ভালবাসা।
গানটার প্রতিটা শব্দ আমার ভালো লাগে, তাই তুলে দিলাম
আমি বাংলায় গান গাই
প্রতুল মুখোপাধ্যায়
কন্ঠঃ মাহমুদুজ্জামান বাবু
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর
বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রানের সুর
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় কথা কই
আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই ।।
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে
করি বাংলায় হাহাকার
আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার
বাংলাই আমার দৃপ্ত স্লোগান
ক্ষিপ্ত তীর ধনুক
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় ভালবাসি
আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি ।।
আমি যা কিছু মহান বরণ করেছি
বিনম্র শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায় ।।
বাংলা আমার তৃষ্ণার জল
তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর ।।
বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রানের সুর
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
লংমন্ট, কলোরাড
২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর....
মনটা হুহু করে উঠে গানটা শুনলে।
আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারী। মহান এই জন্যে যে, নিজের ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য অসীম ভালবাসায়, নিজের প্রাণকে উত্সর্গ করেছিলেন ভাষা শহীদেরা। একবার চুপচাপ ভেবে দেখুন, নিজের ভাষার জন্য ভালবাসা কত প্রকান্ড হলে এটা সম্ভব।
আজ বাংলাদেশে ছুটির দিন। ছুটির দিন মানে ঘুমের দিন। দেশের সবাইকে এত খাটতে হয় যে, ছুটির দিনে হাফ ছেড়ে বাঁচে। কাউকে বলছিনা, ঘুম বাদ দিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে আসুন। যারা যাবে তারা এমনিতেই যাবে, সাদা পাঞ্জাবি পড়ে, হাতে কিছু ফুল, ঠোঁটে গান,
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি।....
আর যারা যাবে না তারা, তারা হয়তো কোনো কারণে যেতে পারবে না। আর ছুটির দিন আল্যিসির সময়, আল্যিস করা স্বাভাবিক। ছুটির দিনেও কিন্তু কিছু কাজ করা যায়, যেমন দেশকে নিয়ে একটু ভাবা যায়, দেশকে আর একটু ভালোবাসা যায়। রাজনৈতিক অস্থিরতার কথা ভুলে গিয়ে, জীবনে কি পেলাম না পেলাম তা বাদ দিয়ে, পরিবারে সাথে, বন্ধদের সাথে দেশকে নিয়ে কথা বলা যায়, যাদের বাচ্চা কাচ্চা আছে, তাদের সাথে সাথে থেকে একুশে ফেব্রুয়ারী নিয়ে গল্প করা যায়, আজ বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস সেটা অনেক কে জানানো যায় (দুক্ষজনক হলেও সত্যি অনেকে জানেন না ! ) .
আমরা যারা বিদেশে থাকি, অনেকেই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন। দিনটা সপ্তাহের মাঝখানে পড়ায় অনেকে যেতে পারবেন না। কিন্তু কাজের জায়গায় আমরা অনেক কে জানাতে পারি। বিদেশের অনেক অনেক লোকই জানে যা, যে একুশে ফেব্রুয়ারী বিশ্ব মাতৃভাষা(সবারইত মাতৃভাষা আছে) দিবস এবং কেন এই দিবস উদযাপন হয়। আমি আজ পর্যন্ত যাদের যাদের বলেছি, তারা সবাই এই দিনটির কথা শুনে খুব আনন্দিত হয়েছে এবং আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ আর বাংলা ভাষার পাশাপাশি তার নিজের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়েছে।
আমি জানি অনেকেই মহানভাবে, মহান একুশে ফেব্রুয়ারীর দিনটি কাটাবেন। অমর একুশে এভাবেই আমাদের প্রাণ থেকে প্রাণে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌছে যাবে। অমর একুশে শহীদের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা আর সবার প্রতি রইলো ভালবাসা।
গানটার প্রতিটা শব্দ আমার ভালো লাগে, তাই তুলে দিলাম
আমি বাংলায় গান গাই
প্রতুল মুখোপাধ্যায়
কন্ঠঃ মাহমুদুজ্জামান বাবু
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর
বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রানের সুর
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় কথা কই
আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই ।।
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে
করি বাংলায় হাহাকার
আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার
বাংলাই আমার দৃপ্ত স্লোগান
ক্ষিপ্ত তীর ধনুক
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় ভালবাসি
আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি ।।
আমি যা কিছু মহান বরণ করেছি
বিনম্র শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায় ।।
বাংলা আমার তৃষ্ণার জল
তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর ।।
বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রানের সুর
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
লংমন্ট, কলোরাড
২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪
আকাশ
আকাশ
আকাশের
বুকে
মেঘ জমেছে অনেক,
আমি
ঠিক
জানি, কেন আকাশের
মন
খারাপ হয় ,
কেন আকাশেরা আমার
হৃদয়ে
মুখ লুকায় ,
কেন
এত বর্ষা হয় ,
আমি ভিঁজে যাই জলে,
বৃষ্টিস্নাত
বিকেলে,
আমি দু'হাত মেলে
,
আকাশের
দিকে
মুখ তুলে থাকি ,
আকাশকে
কাছে ডাকি ,
আকাশের
বুকে অনেক হাত বুলাই,
আমি ঠিক জানি
Wednesday, February 19, 2014
আকাশসমূহের কবিতা
আকাশসমূহের কবিতা
...আকাশেরা অনেক দুরে, তাই,
আকাশের রং নীল হয়,
ব্যদনার রং যে নীল,
ব্যদনামুখুর আকাশেরা অনন্ত অনাবিল...
********************************
...দুরের আকাশে জলের মেঘ নেই,
পৃথিবীর কাছাকাছি, জলের মেঘ হয়,
রং বেরঙের মেঘেদের দল,
সাদা, কালো, আর লাল
আকাশেরা মানুষদের কাঁদতে শেখায়,
অনাবিল সুখের মাঝে কখনো সখনো কাঁদতে হয়...
*************************************
...সব পৃথিবী ঘিরে মহাকাশ থাকে,
অনুরিত মেঘ আকাশের বুকে,
এইসব মেঘেদের দল গড়ে
অন্য নক্ষত্র অন্য পৃথিবীর তরে,
সেই মহাকাশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে
কোনো এক পৃথিবীর কাছে আসে না,
সে এক পৃথিবীর খুব কাছে আসতে পারে না,
সব নক্ষত্রের তরে তাকে বাঁচতে হয় ,
মহাকাশ তাই দুরে থাকে,
কোনো পৃথিবীর খুব কাছাকাছি নয়....
February 19, 2014
...আকাশেরা অনেক দুরে, তাই,
আকাশের রং নীল হয়,
ব্যদনার রং যে নীল,
ব্যদনামুখুর আকাশেরা অনন্ত অনাবিল...
********************************
...দুরের আকাশে জলের মেঘ নেই,
পৃথিবীর কাছাকাছি, জলের মেঘ হয়,
রং বেরঙের মেঘেদের দল,
সাদা, কালো, আর লাল
আকাশেরা মানুষদের কাঁদতে শেখায়,
অনাবিল সুখের মাঝে কখনো সখনো কাঁদতে হয়...
*************************************
...সব পৃথিবী ঘিরে মহাকাশ থাকে,
অনুরিত মেঘ আকাশের বুকে,
এইসব মেঘেদের দল গড়ে
অন্য নক্ষত্র অন্য পৃথিবীর তরে,
সেই মহাকাশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে
কোনো এক পৃথিবীর কাছে আসে না,
সে এক পৃথিবীর খুব কাছে আসতে পারে না,
সব নক্ষত্রের তরে তাকে বাঁচতে হয় ,
মহাকাশ তাই দুরে থাকে,
কোনো পৃথিবীর খুব কাছাকাছি নয়....
February 19, 2014
Monday, February 17, 2014
মাতৃভাষা
মাতৃভাষা
ভাষার যে একটা আলাদা রূপ আছে, তা টের পেলাম গতকাল।
প্রত্যেকটি ভাষার একটা নিজস্ব সৌন্দর্য্য আছে । একটি ভাষার সেই সৌন্দর্য্য উপলব্ধি করতে গেলে বা বুঝতে গেলে, সেই ভাষাকে অনেক ভালো ভাবে আয়ত্ত করতে হবে । সবারই কোনো না কোনো ভাষা ভালো করে জানা আছে । অন্তত তার নিজের মাতৃভাষাটা ভালো করে জানার কথা । অনেকে বেশ কয়েকটি ভাষাও আয়ত্ত করতে পারে । তবে মাতৃ ভাষার স্বর, টান বা আবেগ যেভাবে প্রকাশ পায়, সেভাবে অন্য ভাষায় কথা বলা যায় না । তাই মাতৃ ভাষার সৌন্দর্যটা সব চেয়ে বেশি বোঝা যায় ।
এই সৌন্দর্যটা আরো বেশি বোঝা যায়, বাংলা ভাষাভাষী এলাকা থেকে ভিন্ন এলাকায় থাকাকালীন সময় ।
ছোটো বেলা থেকে বাংলা বলে আসছি, আসে পাশের সবাই বাংলা বলছে । মাতৃভাষাকে নিয়ে চিন্তা করার কথা মাথায় আসে নি । ফেব্রয়ারী আসলে, শহীদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গান গেয়েছি, ফুল দিয়েছি। কিন্তু মাতৃভাষা বলার স্বাদ বা শোনার স্বাদ উপলব্দি করেতে পারিনি, ভাষা এত সুন্দর হতে পারে ভেবে দেখেনি । মাতৃভাষা ছেড়ে ভিন্ন ভাষাভাষী এলাকায় আসতেই উপলব্ধি করলাম, ভাষা কত মধুর হতে পারে, ভাষা কত সুন্দর হতে পারে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন না :
"মা, তোর মুখের বাণী
আমার কানে লাগে
সুধার মতো"
বলতেও সুধার মতই লাগে, ভাবতেও অনেক ভালো লাগে।
আমি তেমন ভালো ইংলিশ বলতে পারি না । তবে আমি ভালো গ্রামার পারি, ইংরেজি গ্রামার । পরীক্ষায় পাশ করার জন্য গ্রামারের মত কঠিন জিনিস গিলে ফেলেছিলাম । কিন্তু কথা বলা ঠিক মত শেখা হয়নি। ইংরেজি গ্রামার এখনো শক্ত করে মনে গেঁথে আছে । কথা বলার আগে ইংরেজি গ্রামার মিলিয়ে, মনে মনে ট্রান্সলেসন করে তারপর ইংরেজি বলি । প্রায় এমন হয় যে, একটা ইংরেজি বাক্য বলে ফেলেছি, কিন্তু গ্রামারে ভুল হয়েছে, গ্রামার ঠিক আবার সেই বাক্য বলেছি । কিন্তু এখানে কেউ গ্রামার নিয়ে কেউ ভাবে না । কি বলতে চাইছি, সেটা বোঝাতে পারলেই হলো । তাই কেউ যদি, 'আমি যাচ্ছি' বলতে গিয়ে, 'আই অ্যাম গোইং' না বলে 'আই গো' বলে, তাহলেই হয়। 'আই অ্যাম কামিং' না বলে, 'আই আম কামিং' বলেই হয়। আমেরিকায় স্প্যানিশ দের আনাগোনা বেশি, ওরা এভাবেই কথা বলে। ওদের বিপুল জন সংখ্যার জন্য, স্প্যানিশ ভাষা এখানকার দ্বিতীয় ভাষা (সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ ).ওদের তাই ইংলিশ শেখার গরজ নেই । অনেক বাংলাদেশীও অভাবেই কথা বলে। আমি নিজেই এমন একজন । তবে আমি 'আই অ্যাম গোইং' কে 'আই গো' বলি না , এই যা ।
যা বলছিলাম, ইংরেজি কথা বলার আগে গ্রামার ঠিক করে, তারপর ঠিক করি ট্রান্সলেসন, তার পর বলা । অনেক সময় লেগে যায় । ভাব ভঙ্গি তো পরের কথা । কিন্তু আমার কলিগরা সবাই সাদা, ইংলিশ তাদের মাতৃ ভাষা । ফর ফর করে ওরা ইংলিশ বলে যায় । ভাব আবেগও থাকে । কিন্তু তাদের মত করে সতস্ফুর্ত ভাবে ইংরেজিতে বলতে পারি না । কেননা আমার ভাষা তো বাংলা, ওদের ভাষা তো ইংরেজি। ওদের দেশে এসেছি, ওরা তো বাংলা বলবে না, ইংরেজি বলেই আমাকে মনের কথা বলতে হবে। আমি গ্রামার আর ট্রান্সলেসন ঠিক করে ইংরেজি বলে যাচ্ছি, আর ওরা সতস্ফুর্ত ভাবে ইংলিশ বলছে, সুন্দর করে বলছে, আবেগ মিশিয়ে বলে যাচ্ছে, যারা শুনচ্ছে তাদেরও হয়ত ভালো লাগছে।
বাংলাভাষার সৌন্দর্যটা আমি টের পেলাম বিদেশে এসে, বিদেশীদের মাঝখানে বসে । বাংলায় কথা বলার সময় আমাকে ট্রান্সলেসন করে কিছু বলতে হয় না । কত দ্রুত, কত সুন্দর সুন্দর কথা বলতে পারি। এক শ্বাসে অনেকক্ষণ কথা বলতে পারি। মনের আবেগ অনুভুতি মিশিয়ে কথা বলতে পারি । আমার কাছে মনে হল, এইটাই মাতৃভাষার সবচেয়ে সুন্দর দিক । বাংলা বলার সৌন্দর্যটা চোখে পড়ল এখানে এসে। বাংলা বলার জন্য বিদেশ বিভুইয়ে বাংলা বলার লোক খুঁজি। কাছে থেকে অনেক কিছুই সুন্দর লাগে না, দূরে গেলে তা চোখে পড়ে, মনে পড়ে। এতদিন পরে মাতৃভাষার সুন্দর দিকটা চোখে পরার, নিজের ভাষা বলতে পারার মত সুধা অনুভব করার পর, নিজের ভিতর একদিকে যেমন কুণ্ঠা বোধ করি, অনেক দেরি হয়েছে বলে; তেমনি অন্য দিকে আনন্দিত হই, দেরিতে হলেও মাতৃভাষার সুন্দর দিকটা ধরতে পারার কারনে, নিজের ভাষা বলতে পারার কারনে । মাতৃভাষা বাংলার এই সৌন্দর্য, এই অনুভুতির জন্যই হয়ত রফিক, শফিক, বরকতের মত অনেক তাজা তরুণ বাংলার ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে, শহীদ হয়েছে । এখন প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারী বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় । মাতৃভাষা রক্ষার জন্য, মাতৃভাষার বলার অধিকারের জন্য তাদের এই ত্যাগ, শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করি। মাতৃভাষা বলা, শোনা আর অনুভুব করার মত অন্য কোনো ভাষাই হয় না। বাংলা ভাষা আর বাংলাদেশের জন্য রইলো অনেক অনেক ভালবাসা।
ভাষার যে একটা আলাদা রূপ আছে, তা টের পেলাম গতকাল।
প্রত্যেকটি ভাষার একটা নিজস্ব সৌন্দর্য্য আছে । একটি ভাষার সেই সৌন্দর্য্য উপলব্ধি করতে গেলে বা বুঝতে গেলে, সেই ভাষাকে অনেক ভালো ভাবে আয়ত্ত করতে হবে । সবারই কোনো না কোনো ভাষা ভালো করে জানা আছে । অন্তত তার নিজের মাতৃভাষাটা ভালো করে জানার কথা । অনেকে বেশ কয়েকটি ভাষাও আয়ত্ত করতে পারে । তবে মাতৃ ভাষার স্বর, টান বা আবেগ যেভাবে প্রকাশ পায়, সেভাবে অন্য ভাষায় কথা বলা যায় না । তাই মাতৃ ভাষার সৌন্দর্যটা সব চেয়ে বেশি বোঝা যায় ।
এই সৌন্দর্যটা আরো বেশি বোঝা যায়, বাংলা ভাষাভাষী এলাকা থেকে ভিন্ন এলাকায় থাকাকালীন সময় ।
ছোটো বেলা থেকে বাংলা বলে আসছি, আসে পাশের সবাই বাংলা বলছে । মাতৃভাষাকে নিয়ে চিন্তা করার কথা মাথায় আসে নি । ফেব্রয়ারী আসলে, শহীদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গান গেয়েছি, ফুল দিয়েছি। কিন্তু মাতৃভাষা বলার স্বাদ বা শোনার স্বাদ উপলব্দি করেতে পারিনি, ভাষা এত সুন্দর হতে পারে ভেবে দেখেনি । মাতৃভাষা ছেড়ে ভিন্ন ভাষাভাষী এলাকায় আসতেই উপলব্ধি করলাম, ভাষা কত মধুর হতে পারে, ভাষা কত সুন্দর হতে পারে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন না :
"মা, তোর মুখের বাণী
আমার কানে লাগে
সুধার মতো"
বলতেও সুধার মতই লাগে, ভাবতেও অনেক ভালো লাগে।
আমি তেমন ভালো ইংলিশ বলতে পারি না । তবে আমি ভালো গ্রামার পারি, ইংরেজি গ্রামার । পরীক্ষায় পাশ করার জন্য গ্রামারের মত কঠিন জিনিস গিলে ফেলেছিলাম । কিন্তু কথা বলা ঠিক মত শেখা হয়নি। ইংরেজি গ্রামার এখনো শক্ত করে মনে গেঁথে আছে । কথা বলার আগে ইংরেজি গ্রামার মিলিয়ে, মনে মনে ট্রান্সলেসন করে তারপর ইংরেজি বলি । প্রায় এমন হয় যে, একটা ইংরেজি বাক্য বলে ফেলেছি, কিন্তু গ্রামারে ভুল হয়েছে, গ্রামার ঠিক আবার সেই বাক্য বলেছি । কিন্তু এখানে কেউ গ্রামার নিয়ে কেউ ভাবে না । কি বলতে চাইছি, সেটা বোঝাতে পারলেই হলো । তাই কেউ যদি, 'আমি যাচ্ছি' বলতে গিয়ে, 'আই অ্যাম গোইং' না বলে 'আই গো' বলে, তাহলেই হয়। 'আই অ্যাম কামিং' না বলে, 'আই আম কামিং' বলেই হয়। আমেরিকায় স্প্যানিশ দের আনাগোনা বেশি, ওরা এভাবেই কথা বলে। ওদের বিপুল জন সংখ্যার জন্য, স্প্যানিশ ভাষা এখানকার দ্বিতীয় ভাষা (সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ ).ওদের তাই ইংলিশ শেখার গরজ নেই । অনেক বাংলাদেশীও অভাবেই কথা বলে। আমি নিজেই এমন একজন । তবে আমি 'আই অ্যাম গোইং' কে 'আই গো' বলি না , এই যা ।
যা বলছিলাম, ইংরেজি কথা বলার আগে গ্রামার ঠিক করে, তারপর ঠিক করি ট্রান্সলেসন, তার পর বলা । অনেক সময় লেগে যায় । ভাব ভঙ্গি তো পরের কথা । কিন্তু আমার কলিগরা সবাই সাদা, ইংলিশ তাদের মাতৃ ভাষা । ফর ফর করে ওরা ইংলিশ বলে যায় । ভাব আবেগও থাকে । কিন্তু তাদের মত করে সতস্ফুর্ত ভাবে ইংরেজিতে বলতে পারি না । কেননা আমার ভাষা তো বাংলা, ওদের ভাষা তো ইংরেজি। ওদের দেশে এসেছি, ওরা তো বাংলা বলবে না, ইংরেজি বলেই আমাকে মনের কথা বলতে হবে। আমি গ্রামার আর ট্রান্সলেসন ঠিক করে ইংরেজি বলে যাচ্ছি, আর ওরা সতস্ফুর্ত ভাবে ইংলিশ বলছে, সুন্দর করে বলছে, আবেগ মিশিয়ে বলে যাচ্ছে, যারা শুনচ্ছে তাদেরও হয়ত ভালো লাগছে।
বাংলাভাষার সৌন্দর্যটা আমি টের পেলাম বিদেশে এসে, বিদেশীদের মাঝখানে বসে । বাংলায় কথা বলার সময় আমাকে ট্রান্সলেসন করে কিছু বলতে হয় না । কত দ্রুত, কত সুন্দর সুন্দর কথা বলতে পারি। এক শ্বাসে অনেকক্ষণ কথা বলতে পারি। মনের আবেগ অনুভুতি মিশিয়ে কথা বলতে পারি । আমার কাছে মনে হল, এইটাই মাতৃভাষার সবচেয়ে সুন্দর দিক । বাংলা বলার সৌন্দর্যটা চোখে পড়ল এখানে এসে। বাংলা বলার জন্য বিদেশ বিভুইয়ে বাংলা বলার লোক খুঁজি। কাছে থেকে অনেক কিছুই সুন্দর লাগে না, দূরে গেলে তা চোখে পড়ে, মনে পড়ে। এতদিন পরে মাতৃভাষার সুন্দর দিকটা চোখে পরার, নিজের ভাষা বলতে পারার মত সুধা অনুভব করার পর, নিজের ভিতর একদিকে যেমন কুণ্ঠা বোধ করি, অনেক দেরি হয়েছে বলে; তেমনি অন্য দিকে আনন্দিত হই, দেরিতে হলেও মাতৃভাষার সুন্দর দিকটা ধরতে পারার কারনে, নিজের ভাষা বলতে পারার কারনে । মাতৃভাষা বাংলার এই সৌন্দর্য, এই অনুভুতির জন্যই হয়ত রফিক, শফিক, বরকতের মত অনেক তাজা তরুণ বাংলার ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে, শহীদ হয়েছে । এখন প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারী বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় । মাতৃভাষা রক্ষার জন্য, মাতৃভাষার বলার অধিকারের জন্য তাদের এই ত্যাগ, শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করি। মাতৃভাষা বলা, শোনা আর অনুভুব করার মত অন্য কোনো ভাষাই হয় না। বাংলা ভাষা আর বাংলাদেশের জন্য রইলো অনেক অনেক ভালবাসা।
Subscribe to:
Posts (Atom)